187 

ডেস্ক নিউজ:  দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে আটটি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) টিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বিষয়টি মনিটরিং করেছেন। সকালে প্রথমবারের মতো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আপিল বিভাগের বিচারকাজ শুরু হয়।

দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের হট্টগোল ও বিশৃঙ্খল ঘটনার পর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে আটটি শক্তিশালী সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

 জানা গেছে, এ সিসিটিভি ক্যামেরায় অডিও ও ভিডিও রেকর্ড করার ক্ষমতা রয়েছে।

গত ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ঘিরে নজিরবিহীন হট্টগোল হয় আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে। বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের হট্টগোলের কারণে থমকে ছিল বিচারকাজ। এমন বাস্তবতায় বৃহস্পতিবার আবার খালেদার জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য রয়েছে। যা নিয়ে চাপা উত্তেজনা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এ প্রেক্ষাপটে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি ঘিরে আপিল বিভাগের ভেতরে যে হট্টগোল হয়েছে, আবারও এমন ঘটনা ঠেকাতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আপিল বিভাগে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

তবে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন মনে করেন, এজলাস কক্ষে যারা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করবে তাদের চিহ্নিত করতে এসব সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। যাতে এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া সহজ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *