146 

বিশেষ প্রতিবেদন: করোনাকালে বাংলাদেশ যখন সাধারণ ছুটিতে বিপর্যস্ত। তখন নিম্ন আয়ের মানুষেরা অপেক্ষায় ছিলেন সরকারি ত্রাণ সাহায্যের অপেক্ষায়। তখনই সিলেট-৩ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী তৈরি করেছেন এক ‘ব্যতিক্রমী’ দৃষ্টান্ত।

দুর্যোগকালীন সময়ে নিজ এলাকায় থেকে এই সাংসদ সরকারি ত্রাণ সহায়তা বণ্টন নয়, নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ, তিনটি উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করা, স্থানীয় প্রশাসনকে পরামর্শ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণসহ নানা কাজে সরাসরি নিজেকে ব্যস্ত রাখছেন সারাদিন। সে সময় মানবিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক প্রশংসিতও হয়েছিলেন ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনের সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী।

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকেই এলাকায় ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী কয়েস। প্রতিদিনই নিজ সংসদীয় এলাকার সংকটে পড়া মানুষদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা বিতরণসহ নানা কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন তিনি।

নিজে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদেরও নামিয়েছিলেন মাঠে। দুর্যোগকালীন সময়ে এই সংসদ সদস্যের এমন উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে সবার।সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নিয়ে সিলেট-৩ আসন। এই আসনের টানা তিনবারের সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস। সরকারী ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি নিজের প্রতিষ্ঠান ও নিজের ব্যক্তিগত উদ্যোগেও করোনাভাইরাস সঙ্কটে পড়া মানুষদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেছেন তিনি।গত বছরের ২২ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণার আগেই ঢাকা থেকে এলাকায় চলে আসেন মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী কয়েস। তখন করোনাকালীন লম্বাসময় তিনি এলাকাই থেকেছেন। প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশ নিতে দেখা গেছে এই সাংসদকে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর সাংসদ কয়েস নিজ এলাকার জনগণকে সচেতন করতে প্রচারাভিযানও শুরু করেন। এ সময় করনীয় নির্ধারণে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। লকডাউন ঘোষণার পর বিপাকে পড়া মানুষদের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন তিনি। এছাড়া ধান কাটার মৌসুমে নিজ এলাকার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধান কাটতে মাঠে নামিয়েছিলেন। নিজেও অংশ নিয়েছেন ধান কাটায়। রমজান মাস শুরু হওয়ার পর অসহায় মানুষদের বাড়ি বাড়ি ইফতারসামগ্রীও পৌঁছে দিয়েছেন এই সাংসদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *