334 

মুসলিম খান, লন্ডন: গত কাল ২৫ শে ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টায় ভার্চুয়াল মিডিয়া ঝুমের মাধ্যমে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয় অনলাইন এক্টিভিষ্ট ফোরাম ইউকের আয়োজনে “পিলখানা হত্যাকান্ড -২০০৯” উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ।

সংগঠনের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসাইন এর পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি
ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ইউকের সভাপতি এম এ মালেক, বিশেষ অতিথি ছিলেন খেলাফত মজলিস ইউনকের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল কাদের সালেহ, বিশিষ্ট গবেষক ও সাপ্তাহিক সুরমা পত্রিকার সম্পাদক সামছুল আলম লিটন, ইসলামী ছাত্রশিবির সিলেট জেলা সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মুনিম, বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা ও মানবাধিকার কর্মী নুর বক্স,

সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন- অবৈধ হাসিনা সরকার পরিকল্পিত ভাবে ভারতের মদদে ৫৭ জন চৌকস সেনা অফিসার সহ ৭৪ জন সেনাবাহিনীর সদস্যকে নৃশংস ভাবে হত্যা করে নিজের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার পাশাপাশি জাতিকে মেধাহীন করার নীল নকশা বাস্তবায়ন করা হয়েছে । নৃশংস গণহত্যার প্রতিফুটা রক্তের চরম মূল্য শেখ হাসিনাকে কড়াগন্ডায় দিতে হবে।
৫৭ জন সেনাবাহিনীর অফিসারকে হত্যার সাথে বর্তমান স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরাসরি জড়িত ছিলো এতে করো কোন সন্দেহ নেই। বাংলার মাটিতে এই সব গণ হত্যার বিচার হবে একদিন-ইনশাআল্লাহ।

অধ্যাপক আব্দুল কাদের সালেহ বলেন, ২৫শে ফেব্রুয়ারিকে প্রতি বছর জাতীয় ভাবে সেনা শহীদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করার দাবী নিয়ে কাজ করার আহবান জানান । আজ বাংলাদেশে প্রতিদিন একটার পর একটা ইস্যু তৈরী হচ্ছে কিন্তু ক্ষমতাসীনদের কোন পরিবর্তন হচ্ছে না বরং তারা নতুন ইস্যু তৈরি করে জাতিকে পৃর্বের ঘটনা গুলো ভূলিয়ে দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে যাচ্ছে। এই সকল ইস্যু থেকে জাতিকে মুক্ত করতে একজন বিপ্লবী নেতার কোন বিকল্প নেই।

সামছুল আলম লিটন বলেন, ২৫শে ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা উচিত এবং সরকার পরিবর্তন হলে এই দিনটিকে জাতীয় শোক দিবস হিসাবে ঘোষনা করা হউক। এই সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে ততদিন পিলখানা হত্যা কান্ডের সুষ্ঠু বিচার হবে না। সুতরাং পিলখানা গণহত্যা সহ গত ১২ বছরে যত অন্যায় সংঘটিত হয়েছে প্রত্যোকটি অন্যায় এর সুষ্ঠু বিচার পেতে হলে হাসিনা সরকারের পতনের কোন বিকল্প নেই। তিনি অনলাইন এক্টিভিষ্ট ফোরামকে ধন্যবাদ জানান দিনটিকে স্মরণ করে আলোচনা সভা আয়োজন করার জন্য।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ছাত্র শিবির বিয়ানি বাজার উপজেলার সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, সংগঠনের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট সাংবাদিক মোঃ আমিনুল ইসলাম মুকুল, উপদেষ্টা মুজিব মাহমুদ, অনলাইন এক্টিভিষ্ট ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ তরিকুল ইসলাম, মানবাধিকার কর্মী ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল আলী, সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাংবাদিক মুসলিম খান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ দেলোয়ার হোসাইন , সহ সাধারণ সম্পাদক অনলাইন এক্টিভিষ্ট ফোরাম যায়েদ আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা করিম মিয়া, সিলেট শহর শাখার সাবেক আইটি ও বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক মামুন আহমদ, স্ট্যান্ড ফর বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোঃ মাজহারুল ইসলাম ভূইয়া, হোয়াইট পিজিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আলা উদ্দিন, মানবাধিকার কর্মী ও সাবেক ছাত্র নেতা জাকির এইচ মিল্লাত, মানবাধিকার কর্মী ও সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আলী, এক্টিভিষ্ট ফোরাম এর সাংগঠনিক সম্পাদক জামিল হোসেন ,সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ আরশাদ আলী , সোস্যাল মিডিয়া সম্পাদক রায়হান উদ্দিন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিফতা উদ্দীন, মানবাধিকার কর্মী মোঃ ইমরান আহমদ, অনলাইন এক্টিভিষ্ট ফোরাম এর অফিস সম্পাদক আহমদ আলী, সমাজকল্যাণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, অনলাইন এক্টিভিষ্ট আল-আমীন , অনলাইন এক্টিভিষ্ট ও অফিস সম্পাদক ইক্যুয়াল রাইটস ইন্টারন্যাশনাল মোঃ আবু জাফর আব্দুল্লাহ, ক্রীড়া সম্পাদক ইকবাল হোসাইন, অনলাইন এক্টিভিষ্ট আবু তাক্বওয়া মোঃ আব্দুল কাদের, মানবাধিকার কর্মী মোহাম্মদ আবুল কালাম , মানবাধিকার কর্মী বুরহান চৌধুরী,অনলাইন এক্টিভিষ্ট সৈয়দ জাকারিয়া, সাবেক ছাত্র নেতা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র নেতা মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, সাবেক ছাত্র নেতা আলী শাহজাদা, মিডিয়া ব্যক্তি জয়নাল আবেদীন, মানবাধিকার কর্মী বাহার উদ্দিন ও অনলাইন এক্টিভিষ্ট শামিম উদ্দিন , সোস্যাল এক্টিভিষ্ট নারদেব দে ও সিদ্দিক আহমদ।

পরিশেষে সংগঠনের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০০৯ সালে ৫৭ জন অফিসার সহ যারা শহীদ হয়েছেন তাদের রুহের মাগফেরাত কামনার পাশাপাশি পরিবার -পরিজনের প্রতি সমবেদনা পোষণ করেন। এবং অতিথি সহ উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *