239 

ডেস্ক নিউজ: আদালতের রায়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক কুইন্সে নির্বাচনী লড়াইয়ে টিকে রইলেন সিলেটি বংশোদ্ভূত মেরী জোবায়দা সহ দুই বাংলাদেশী যুবতী। অপরজন হলেন মৌমিতা আহমেদ।

মেরী জোবায়দার দেশের বাড়ী সিলেট সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নের উমাইরগাওয়ে। তার স্বামী আবু তাহের যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও টাইম টেলিভিশনের সত্তাধীকারী এবং সাপ্তাহিক “বাংলাপত্রিকা”র সম্পাদক।

স্থানীয় নির্বাচনী সংস্থা বোর্ড অব ইলেকশন প্রথমে তাদেরকে আইনগত এবং পেশাগত নামের পার্থক্যের জন্য নির্বাচনে প্রার্থীতা বাতিল করে দিয়েছিল। কিন্তু সোমবার কুইন্স সুপ্রিম কোর্টের বিচারক তাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এর ফলে আগামী ২৩ শে জুন প্রাইমারি ব্যালটে তাদের নাম থাকছে।

এসেম্বলি নির্বাচনে প্রার্থী মেরি জোবাইদা। অন্যদিকে ডেমোক্রেটিক ডিস্ট্রিক্ট লিডার প্রার্থী মৌমিতা আহমেদ। তাদের প্রার্থিতা পুনর্বহাল করে বিচারক লিওনার্দ লিভোটি বলেন, নামের ক্ষেত্রে বা নামের রীতিতে বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে কুইন্স।

কুইন্সের মতো বৈচিত্রময় স্থানে, যেখানে রয়েছে বহু বিদেশী ও অপরিচত নাম, সেখানে একটি বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গি অবশ্যই গ্রহণ করা উচিত।

উল্লেখ্য, রাজ্য এসেম্বলিতে ডিস্ট্রিক্ট ৩৭ এর জন্য ব্যক্তিগত ও পেশাগত নাম মেরি ব্যবহার করে প্রচারণা চালাচ্ছেন জোবাইদা। আইনগতভাবে তার আসল নাম হল মেহেরুন্নিসা।
অন্যদিকে ডেমোক্রেটিক ডিস্টিক্ট লিডার পদের জন্য ব্যক্তিগত ও পেশাগত নাম মৌমিতা ব্যবহার করে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন মৌমিতা আহমেদ। আসলে তার আইনগত নাম আতকিয়া। এসব কারণে দক্ষিণ এশিয়ার এই দুই মুসলিম নারীকে প্রথম রমজানে ব্যালট থেকে বাদ দেয় বোর্ড অব ইলেকশন। ফলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে বোর্ড।

নিউ ইয়র্ক দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বেশি মানুষের বসবাস হলেও কুইন্সে এখন পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ান বংশোদ্ভূত কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নেই।

নির্বাচনে এসেম্বলি সদস্য ক্যাথি নোলানের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জোবাইদা। ক্যাথি নোলান ১৯৮৫ সাল থেকে ওয়েস্টার্ন কুইন্সে এসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩৭ এর পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *