183 

সিলেট লন্ডন নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের সাত উপজেলায় বর্ষা মৌসুমে চলাচলের প্রধান বাহন নৌকা। এছাড়া, হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে যাওয়া পর্যটকদের কাছেও বিকল্প নেই এই বাহনের। তবে অদক্ষ চালক ও ত্রুটিপূর্ণ ইঞ্জিনের নৌকার কারণে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রাণহানি রোধে সচেতনতার তাগিদ প্রশাসনের।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর দিরাই উপজেলার কালিয়াকুটা হাওরে নৌকাডুবিতে ৭ শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু হয়। নৌকাডুবির এমন আরও কয়েকটি ঘটনায় গত নয় মাসে প্রাণ হারিয়েছেন ২২ জন। দুর্ঘটনার পর সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের তৎপরতা শুরু হলেও কিছুদিন পর তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বছরের পর বছর ঝুঁকি নিয়েই চলাচল হাওরবাসীর।

বেশির ভাগ নৌদুর্ঘটনার কারণ, অদক্ষ চালক, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই এবং ত্রুটিপূর্ণ ইঞ্জিনের নৌকা।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, দ্রুত সময়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাব এবং ডুবুরি সংকটে কমানো যায় না জানমালের ক্ষতি। আর হাওরবাসী ও পর্যটকদের নৌদুর্ঘটনা রোধে সচেতন হওয়ার তাগিদ দিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।

হাওরে চলাচলকারী বেশ কিছু নৌকায় এরইমধ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিতরণ করা হয়েছে লাইফ জ্যাকেট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *